কুচকিতে চুলকানির সমাধান সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে নিন

প্রিয় পাঠক কুচকিতে চুলকানির সমাধান সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে চাচ্ছেন আপনি।তাহলে আমার এই আর্টিকেলটি মনোযোগ সহকারে পড়ুন।কেননা আমার আজকের এই আর্টিকেল এর মূল আলোচ্য বিষয় হলো কুচকিতে চুলকানির সমাধান সম্পর্কে বিস্তারিত।ত চলুন জেনে নেওয়া যাক কুচকিতে চুলকানির সমাধান সম্পর্কে বিস্তারিত।

কুচকিতে চুলকানির সমাধান সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে নিন
আরো অনেকে হয়তো জানেন না খুজলি দূর করার উপায় এবং চুলকানির ঘরোয়া চিকিৎসা এ সকল বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করবো আমার আজকের এই আর্টিকেলে।তাই শেষ পর্যন্ত পড়ার জন্য অনুরোধ করা হলো।

পেজ সূচিপত্রঃকুচকিতে চুলকানির সমাধান সম্পর্কে বিস্তারিত

কুচকিতে চুলকানির সমাধান

আপনারা অনেকে গুগলে সার্চ দিয়ে থাকেন কুচকিতে চুলকানির সমাধান কিভাবে করা যায়।তাই আমি আজকে আপনাদের জানাবো কুচকিতে চুলকানির সমাধান সম্পর্কে বিস্তারিত।কুচকিতে চুলকানির সাধারণত স্বপ্ন দোষ হলে বা গরমের দিনে সেখানে ময়লা জমে থাকলে সেখানে জিবাণু জমে কুচকিতে চুলকানির হয়।পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা ঈমানের অঙ্গ।আমাদের শরীর পরিষ্কার থাকলে আপনার মন ভালো থাকবে।
আর অপরিষ্কার মানুষদের কেও পছন্দ করে না।আর আপনি যদি অপরিষ্কার থাকেন তাহলে আপনার শরীরে নানা ধরণের রোগ হবে।যেমন কুচকিতে চুলকানির রোগ অনেকের হয়ে থাকে।এটার কারণ অপরিষ্কার থাকা।ত চলুন জেনেনি কুচকিতে চুলকানির হলে কি করণীয়।আপনাকে তিনটি মলম এর কথা বলবো।একটি হলো pevisone এই মলমটি আপনি দিনে দুইবার করে ব্যবহার করবেন।
তার সাথে যদি আপনার অন্ডকোষে চুলকানি হয় তাহলে আপনি Topical-s এই মলমটি ব্যবহার করতে পারেন।দিনে দুইবার করে ব্যবহার করবেন।তারপর ও যদি আপনার চুলকানি ভালো না হয় তাহলে আপনি একটি টেবলেট খেতে পারেন।টেবলেট টির নাম হলো Sinamin 4mg. এই টেবলেটটি আপনি দিনে তিনবার খাবেন একটি করে খাবার খাওয়ার পরে।
আপনি সব সময় নিজেকে পরিষ্কার রাখবেন।অন্যকে পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন থাকার জন্য উৎসাহ দিবেন।মনে রাখবে বেঁচে থাকার জন্য স্বাস্থ্য আমাদের মূল সম্পদ।আরেকটি বিষয় আপনাদেরকে জানিয়ে রাখি যেহেতু চুলকানি একটি ছোয়াচে রোগ সেহেতু এক জনের পোশক অন্য জনে ব্যবহার থেকে বিরত থাকবেন।তাহলে এমন রোগ আপনাকে আক্রমণ করতে পারবেন না।আশা করি বুঝতে পেরেছেন কিভাবে আপনি কুচকিতে চুলকানির ভালো করবেন।

চুলকানি দূর করার উপায়

চুলকানি অনেক পরিচিত একটি রোগ।চলকানি আমাদের শরীরে হয় সাধারণত শরীর যদি অপরিষ্কার থাকে তাহলে।শরীরে ঘাম জমে থাকলে ওখান থেকে চুলনাকি হতে পারে।গোশলের পরে যদি শরীরে ভাজে ভাজে পানি জমে থাকে তাহলে সেখান থেকে চুলকানি হতে পারে।তাই চুলকানি দূর করার জন্য আমাদের সব সময় পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন থাকতে হবে।চুলকানি যদি শুরু হয় তাহলে মানুষকে অনেক অতিষ্ঠ করে তোলে।
চুলকাতে চুলকাতে আমাদের শরীরের অনেক অংশে লাল হয়ে যায়।অনেক জায়গাতে গুটি গুটি হয়ে ফুলে যায়।তাই আমি আজকে আপনাদের জানাবো চুলকানি দূর করার উপায়।ত চলুন বিস্তারিত জেনেনি চুলকানি দূর করার উপায় কি কি।নিম পাতা আমাদের সবারই পরিচিত।এই নিম পাতা আমাদের অনেক উপকার করে স্বাস্থ্যের জন্য।আপনি নিম পাতা পিষে আপনার শরীরের যেখানে চুলকানি সেখানে আপনি লাগাতে পারেন তাহলে আশা করি চুলকানি ভালো হয়ে যাবে।আবার নিম পাতা দিয়ে পানি কুসুম গরম করে সে পানি দিয়ে গোশল দিলে আপনার শরীর থেকে চুলকানি অনেকটা কমে যাবে।
নারিকেল তেল অনেক উপকারি।আপনি গোশলের পরে শরীরে হালকা পরিমাণ তেল মাখতে পারেন।নারিকেল তেল আমাদের ত্বকের আদ্রতা ভালো রাখে।আর আপনার চুলকানি স্থানে নারিকেল তেল ব্যবহার করতে পারেন।চন্দন কাঠের গুড়া চুলকানি স্থানে লাগাতে পারেন।এটা আমাদের ত্বকের জন্য ভালো আবার আপনার চুলকানি দূর করবে।আশা করি বুঝতে পেরেছেন চুলকানি দূর করার উপায় কি।

খুজলি দূর করার উপায়

প্রিয় পাঠক আমার আজকের এই আর্টিকেল এর মূল বিষয় হলো কুচকিতে চুলকানির সমাধান সম্পর্কে বিস্তারিত।এবার আপনাদের জানাবো খুজলি দূর করার উপায়।ত চলুন বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক খুজলি দূর করার উপায়।এই রোগ এক জনের দেহে থেকে অন্য আরেক জনের ছড়ায়।সাধারণত যারা অপরিষ্কার ভাবে জীবনযাপন করে তাহদের এই খুজলি হয়ে থাকে।আবার যারা একত্রে বসবাস করে যেমন ধরুন মাদ্রাসা,হোস্টেল,বস্তি,ম্যাচ ইত্যাদি এমন ভাবে বসতির কারণে ,খুজলি হয়ে থাকে।খুজলি উপসর্গ হলো চুলকানি।
আমাদের দেহের স্কেবিন নামে একটি জীবাণু আমাদের দেহ থেকে নিঃসৃত হয়।এটাই হলো আমাদের শরীরের চলকানি বা খুজলি জন্য দায়ী।খুজলি দূর করার জন্য সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব তা হলো আপনাকে সবসময় পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন থাকতে হবে।জামা কাপড় নিয়মিত পরিষ্কার করতে হবে।এক জনের পোশাক অন্য জনে পড়া যাবে না।আপনি নিম পাতা দিয়ে কুসুম গরম পানি দিয়ে গোশল করতে পারেন।আশা করি বুঝতে পেরেছেন খুজলি দূর করার উপায়।

চুলকানির ঘরোয়া চিকিৎসা

চুলকানি একটি বিরক্তকর রোগ।মানুষ সমাজে যখন চুলকানি ওঠে তখন অনেক বিরক্ত লাগে।তাই আপনারা অনেকে গুগলে সার্চ দিয়ে থাকেন চুলকানির ঘরোয়া চিকিৎসা।তাই আমি আজকে আপনাদের জানাবো চুলকানির ঘরোয়া চিকিৎসা।ত চলুন একটু বিস্তারিত জেনেনি চুলকানির ঘরোয়া চিকিৎসা।নারিকেল তেল দিয়ে ঘরোয়া পদ্ধতিতে আপনি চুলকানি দূর করতে পারেন।
নারিকেল তেল ত্বকের কোনো ক্ষতি করে না।আপনার শরীরের শুষ্ক স্থানে বা চুলকানির স্থানে নারিকেল তেল দিতে পারেন।আপনার যদি পূরো শরীরে যদি চুলকানি হয় তাহলে আপনি পুরো শরীরে নারিকেল তেল মেখে নিবেন।আরেকটি ভালো কার্যকারী হলো লেবুর রস।লেবুর রস ত্বকের জন্য অনেক ভালো।আপনার যেখানে চুলকানি হয়েছে সে স্থানে আপনি লেবুর রস লাগিয়ে শুকিয়ে নিবেন।লেবুর রস চুলকানি দূর করবে।
চুলকানি দূর করার জন্য আপনি বাইরে যেমন চিকিৎসা নিচ্ছেন।তার পাশা পাশি আপনাকে প্রচুর পরিমাণ পানি পান করতে হবে।চুলকানি দূর করার জন্য পানি পান অনেক গুরুত্বপূর্ণ।আরেকটি হলো অ্যালোবেরিয়া আমাদের ত্বকের জন্য অনেক উপকারি।এটা আপনার চুলকানির জন্য অনেক কাজে দিবে।আশা করি বুঝতে পেরেছেন চুলকানির ঘরোয়া চিকিৎসা কি কি।

শেষকথা-কুচকিতে চুলকানির সমাধান সম্পর্কে বিস্তারিত

প্রিয় পাঠক আপনারা এতক্ষণ পড়ছিলেন কুচকিতে চুলকানির সমাধান সম্পর্কে বিস্তারিত।আশা করছি আমার আজকের এই আর্টিকেলটি পড়ে আপনার উপকার আসবে।আমার এই আর্টিকেলটি আপনার যদি ভালো লাগে তাহলে আপনার বন্ধুদের কাছে শেয়ার করতে পারেন।আর আপনি যদি নতুন কোনো বিষয় এ জানতে চান তাহলে আমাদেরকে কমেন্ট করে জানাতে পারেন।
কেননা আমার এই ওয়েব সাইডে প্রতিদিন তথ্য প্রযুক্তি,লাইফ স্টাইল,শিক্ষা,স্বাস্থ্য-চিকিৎসা,প্রবাসি তথ্য ও ইসলামিক বিষয় নিয়ে বাংলা ব্লগ পোস্ট বা আর্টিকেল লেখা হয়।এতক্ষণ পোস্টটি পড়ার জন্য ধন্যবাদ।

Leave a Comment